ই-কমার্স ওয়েবসাইট এ সেল বৃদ্ধির ১৫ টি অপ্রতিরোধ্য উপায় 

  • Home
  • Blog
  • ই-কমার্স ওয়েবসাইট এ সেল বৃদ্ধির ১৫ টি অপ্রতিরোধ্য উপায় 

ই-কমার্স ওয়েবসাইট এ সেল বৃদ্ধি করার জন্য কিছু অপ্রতিরোধ্য উপায় জানা আপনার জন্য অনেক জরুরী। কারণ এতে করে খুব সামান্য পরিমানে পরিবর্তন আনার মাধ্যমে বিক্রি বাড়ানো সম্ভব। অনেক ই-কমার্স উদ্যোক্তা এই সকল বিষয়কে অবজ্ঞা করে থাকে। আপনি যদি সঠিক ভাবে নিচে বর্ণিত উপায়গুলো অনুসরণ করতে পারেন তাহলে আপনার সেল অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই দ্রুততার সাথে বৃদ্ধি পাবে। 

অপরিষ্কার ও বিশৃঙ্খল ডিজাইন পরিবর্তন করতে হবে

আপনার ওয়েবসাইট লোড হওয়ার পর প্রথম যে অংশটুকু আসে সে অংশ টুকুতে অপ্রয়োজনীয় ইনফো রাখা যাবে না। যেমন অনেক ওয়েবসাইটে গেলে দেখা যায় শুরুতে এই অফার সেই অফার দিয়ে ভরিয়ে রেখেছে। এখন ভিজিটর যখন কোন পণ্য কিনতে যায় তখন এত সব হিজিবিজি দেখে কাস্টমার বিরক্তবোধ করবে। এই সমস্যা নিরসনে আপনি অপ্রয়োজনীয় ইনফো বাদ দিয়ে আপনার স্টোরের বেস্ট প্রোডাক্ট শো করাতে পারেন। 

এতে কাস্টমার যেমন বিরক্তবোধ করবে না তেমনি বেস্ট সেলিং প্রোডাক্টের সেল হওয়ার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে। এরপর পর্যায়ক্রমে নতুন অফার ও প্রোমোশনাল প্রোডাক্ট শো করাতে পারেন। যদি আপনার স্টোরের কোন ডেডিকেটেড ব্লগ থাকে তাহলে তার পোস্ট গুলো পেজের শেষের দিকে শো করাতে পারেন। 

ওয়েবসাইটকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হবে

একটি ইকমার্স ওয়েবসাইটে আর্থিক লেনদেন জরিত থাকায় ভিজিটরের বিশ্বাস অর্জন করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইটকে বিশ্বাস না করেলে সে প্রোডাক্ট কিনবে না। এতে অনলাইন স্টোরের মুল উদ্দেশ্য নষ্ট হবে। 

প্রাথমিক স্টেপ হিসেবে আপনার স্টোরে SSL সার্টিফিকেট অ্যাড করতে পারেন। পাশাপাশি আপনার ওয়েবসাইটের ভেতরে মানুসের ভেতরে বিশ্বাস বৃদ্ধি করে এমন কিছু ব্যানার বা এই জাতিয় কিছু অ্যাড করে দিতে পারেন। আপনার স্টোরের ফিজিক্যাল লোকেশন থাকলে ফোন নাম্বার সহ এবং একটি আপডেট ম্যাপ অ্যাড করে দিতে পারেন। এতে কাস্টমার আপনার বিজনেস সম্পর্কে ধারনা পেতে পারবে। 

সেরা ওয়েব হোস্টিং

প্রোডাক্টের ভিডিও ডেমো তৈরি করতে হবে

ওয়েবসাইটে প্রোডাক্টের ডেমো দেখানো অনেক কার্যকরী মার্কেটিং পদ্ধতি। কোন প্রোডাক্ট ইমেজ ব্যবহার করে কাস্টমারের ভেতরে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি করা যায় ভিডিওর মাধ্যমে তার থেকে বেশি আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়। অর্থাৎ আপনি সেল বৃদ্ধি করার জন্য আপনার ওয়েবসাইটে বেস্ট প্রোডাক্টগুলোর ভিডিও ডেমো তৈরি করে পাবলিশ করতে পারেন। ইমেজের থেকে এই পদ্ধতিতে প্রোডাক্টের সম্পর্কে বিস্তারিত এবং পরিষ্কার ধারনা দেওয়া সম্ভব হয়। 

সেরা ওয়েব হোস্টিং ব্যবহার করতে হবে

আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইট কেমন পারফর্মেন্স করবে তা নির্ভর করে আপনি কোন হোস্টিং সার্ভার ব্যবহার করছেন তার উপরে। অর্থাৎ আপনি যে হোস্টিং ইউজ করবেন তা যদি ভালো না হয় তাহলে আপনার ওয়েবসাইট যেমন অফলাইন হয়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তেমনি অতিরিক্ত পরিমানে ভিজিটর আসলে তা ক্র্যাশ করার সম্ভাবনা রয়েছে। 

আপনি যদি দেশী ওয়েব হোস্টিং ইউজ করতে চান তবে আইটিনাট এর BDIX হোস্টিং ইউজ করতে পারেন। এখানে আপনি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট পরিচালনা করার জন্য যাবতীয় ফিচার এবং টুল পাবেন। বিদেশি কোম্পানির থেকেও হোস্টিং নিতে পারবেন। তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যারা লেটেস্ট হার্ডওয়ার ও সফটওয়্যার সম্বলিত ৯৯.৯% আপটাইম সহ হোস্টিং দেয় তাদের থেকে সার্ভিস নিতে হবে। এতে আপনি অনেক বড় লস ও ঝামেলার হাত থেকে রক্ষা পাবেন। 

বিভিন্ন রকমের ফিল্টার ইউজ করতে হবে

একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইটে অনেক ধরনের প্রোডাক্ট থাকে। এই সকল প্রোডাক্টের মধ্যে পছন্দের প্রোডাক্ট খুঁজে পেতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। একজন ভিজিটর প্রোডাক্ট কিনতে এসে কখনোই এই ধরনের ঝামেলা পোহাতে চাইবে না। এই কারণে প্রোডাক্টের ক্যাটেগরি হিসেবে ফিল্টার করার সুযোগ দেওয়া অনেক জরুরী। 

আপনার ওয়েবসাইটে যদি প্রোডাক্ট ফিল্টার করার অপশন না থাকে তাহলে দ্রুত তা করে নিতে হবে। কারণ একজন ভিজিটর এই ফিল্টার ইউজ করার মাধ্যমে অনেক গুলো প্রোডাক্ট থেকে তার পছন্দের প্রোডাক্ট খুঁজে নিতে পারবে। অনেক ই-কমার্স বিজনেস তাদের প্রোডাক্টের জন্য ক্যাটেগরি ফিল্টার ইউজ করে না। আপনি আপনার স্টোরে এই ফিচার অ্যাড করে তাদের থেকে এগিয়ে জেতে পারবেন। 

আকর্ষণীয় ইমেজ ইউজ করতে হবে

ইমেজ ইউজ করার বিষয়ে আপনাকে সচেতন হতে হবে। কারণ ইমেজ যদি সুন্দর বা রিলেভেন্ট না হয় তাহলে কিন্তু ভিজিটর প্রোডাক্ট সম্পর্কে আকর্ষণ অনুভব করবে না। অনেক ব্লগার এবং ইনফুএন্সারের মতে একটি প্রোডাক্টের রিভিউের থেকে তার ইমেজ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি প্রোডাক্টের রিয়েল ইমেজ সুন্দর করে সাজিয়ে ব্যাবহার করতে পারেন তাহলে আপনার সেল বৃদ্ধি হবে। 

প্রোডাক্টের ইমেজ তৈরি করার জন্য আপনি প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার হায়ার করতে পারেন। অথবা নিজে নিজে সুন্দর সুন্দর আইডিয়া জেনারেট করে ইমেজ তৈরি করতে পারবেন। মোটকথা, অপ্রাসাঙ্গিক অথবা অপ্রয়োজনীয় ইমেজ ইউজ না করে প্রোডাক্টের সকল ধরনের ডিটেইলস দেখা যায় এমন ইমেজ তৈরি করুণ। এতে আপনার ওভারওল পারফর্মেন্স বৃদ্ধি পাবে। 

সুশৃঙ্খল ইউআই ও ইউএক্স নিশ্চিত করতে হবে

ই-কমার্স ওয়েবসাইট অনেকগুলো ফাংশন নিয়ে তৈরি হয়। এখানে প্রোডাক্ট নির্বাচন থেকে শুরু করে কার্টে অ্যাড করা ও পরবর্তী সকল স্টেপ পুরন করা অনেক জটিল ম্যাকানিজম দ্বারা পরিচালিত হয়। এখন একজন সম্ভাব্য কাস্টমার কিন্তু আপনার ওয়েবসাইটের এই সকল ফাংশন দেখতে আসবে না। সে আসবে তার পছন্দমত প্রোডাক্ট কিনতে। এখন তাকে যদি আপনি অনেক কঠিন ও জটিল নিয়ম ফলো করে প্রোডাক্ট কিনতে বলেন তাহলে কিন্তু উক্ত কাস্টমার আগ্রহ হারাবে। 

এই কারণে আপনার ওয়েবসাইটের UI এবং UX অনেক সহজ এবং সাবলিল রাখতে হবে। অর্থাৎ ভিজিটর আপনার সাইটে এসে যেন সাধারণ একটি ইন্টারফেস দেখে। সেখানে যেন সব প্রোডাক্ট অনেক সাজানো থাকে এবং প্রোডাক্টে ক্লিক করলে যেন সকল তথ্য দেখতে পায়। পাশাপাশি সাইট এমন ভাবে ডিজাইন করবেন যেন কোন ভিজিটর একটি প্রোডাক্ট দেখার পর সহজে অন্য প্রোডাক্টে জেতে পারে। আপনার উদ্দেশ্য হবে ভিজিটর যেন সাইটে অনেক সময় ধরে ঘোরাফেরা করে। 

ই-কমার্স সেল বৃদ্ধি

ওয়েবসাইটের ন্যাভিগেশন অনেক সহজ রাখতে হবে

অনেক ওয়েবসাইটে দেখবেন ন্যাভিগেশন মেনু এমন ভাবে তৈরি করা থাকে যে আপনি প্রথমবার ভিজিট করার সাথে সাথে উক্ত ওয়েবসাইটে কি কি আছে সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পাবেন। অনলাইন স্টোরে এই বিষয় অনেক বেশি কাজে লাগে। কারণ কোন ভিজিটর যখন ন্যাভিগেশন দেখে আপনার সাইটে কি কি আছে সে সম্পর্কে ধারনা পাবে তখন আপনার কাজ অনেক সহজ হবে। 

আপনি ওয়েবসাইটে ভিজিটর কোন কোন পেজ বেশি ভিজিট করে তার উপর নির্ভর করে রিকমেন্ড লিস্ট তৈরি করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে আপনাকে সহজ এবং সাবলিল ন্যাভিগেশন তৈরি করতে হবে। এতে ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে বেশি সময় থাকবে যা আপনার সেল বৃদ্ধি করতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। 

কিভাবে বাংলাদেশে একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করবেন

একটি FAQ সেকশন রাখতে হবে

FAQ সেকশন একটি ওয়েবসাইটের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনলাইনে কেনাকাটা করার সময় বায়ারের মধ্যে অনেক ধরনের প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। এদের মধ্যে কিছু কমন প্রশ্ন থাকবে যা প্রায় সকল কাস্টমারের জানা উচিত। আপনি এই ধরনের প্রশ্ন তৈরি করে তার উত্তর দিয়ে ওয়েবসাইটে একটি FAQ সেকশন রাখতে পারেন। 

এখানে আপনি আরও একটি কাজ করতে পারেন আর তা হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে ধারনা দিতে পারেন। যেমন আপনার প্রাইভেসি পলিসি কি জাতিয়, প্রোডাক্ট শিপিং কীভাবে করেন ইত্যাদি বিষয়। এতে কাস্টমারের কাছে আপনার বিষয় পরিষ্কার থাকবে এবং সেল বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকগুণ বেড়ে যায়। 

অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করা ম্যান্ডাটরি রাখা যাবে না

ই-কমার্স ওয়েবসাইট এ অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করার অনেক সুবিধা আছে। তবে অনেক কাস্টমারের কাছে প্রোডাক্ট কেনার জন্য অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করা ঝামেলার। এই কারণে আপনাকে প্রোডাক্ট কিনতে হলে অ্যাকাউন্ট করা ম্যান্ডাটরি না করে এটা কাস্টমারের কাছে ছেড়ে দেওয়া উচিত। 

অনেক সময় দেখা যায় অ্যাকাউন্ট করা বাধ্যতামূলক থাকার কারণে অনেক কাস্টমার প্রোডাক্ট কার্টে অ্যাড করেও শেষে গিয়ে কেনে না। এই ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকতে আপনি সরাসরি অ্যাকাউন্ট খোলার বিষয়ে বাধ্য না করে শুধু ইমেইল এন্ট্রি দিতে বলতে পারেন। এতে আপনার ইমেইল লিস্ট আরও স্ত্রং হবে। 

প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশন অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে লিখতে হবে

প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশন এর বিষয়ে আপনাকে অনেক বেশি সচেতন হতে হবে। কারণ প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশনের উপরে ভিত্তি করে সার্চ ইঞ্জিন যেমন আপনার প্রোডাক্ট র‍্যাঙ্ক করে তেমনি ভিজিটর এখান থেকে প্রোডাক্ট সম্পর্কে ধারনা লাভ করে। এই কারণে এখানে আপনাকে বেশি সচেতন থাকতে হবে। 

এই সেকশন তৈরি করার সময় আপনাকে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করতে হবে। আপনি যে প্রোডাক্ট সম্পর্কে লিখছেন সে সম্পর্কে যত খুঁটিনাটি বিষয় আছে তা এখানে দিতে পারেন। লেখাটা সুন্দর করে ফরম্যাটিং করে দিবেন। এতে দেখতে ভালো দেখা যাবে। 

যারা অ্যাডকার্ট করেও পণ্য কেনে না তাদের ফলোআপ ইমেইল দিতে হবে

অ্যাড কার্ট করেও পণ্য না কেনা একটি জটিল সমস্যা। এখানে কাস্টমার উক্ত প্রোডাক্ট পছন্দ করেও না কেনার পেছনে কি কারণ টা আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে। এই ক্ষেত্রে আপনি কারা অ্যাড কার্ট করেও পণ্য নিচ্ছে না তাদের ট্র্যাক করে একটি লিস্ট তৈরি করতে পারেন। 

পরবর্তীতে তাদের ইমেইলে কি কারণে তারা কিনছে না বা কি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে তা জানতে চেয়ে ফলোআপ ইমেইল দিতে পারেন। এতে যেমন আপনি সমস্যার কথা জানতে পারছেন তেমনি সঠিক পদ্ধতিতে প্রোমোশন করতে পারছেন। 

ওয়েবসাইটের লোডিং টাইম

ওয়েবসাইটের লোডিং টাইম কমাতে হবে

ওয়েবসাইট লোড স্পিড সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাঙ্কের অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি প্যারামিটার। কোন ওয়েবসাইট যদি দেরি করে লোড হয় তাহলে ভিজিটর সে সাইট থেকে বাউন্স করে অন্য সাইটে চলে যায়। একটি অনলাইন বিজনেসের জন্য এটি অনেক বড় রিস্কের বিষয়। এই সমস্যা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে হলে আপনাকে ওয়েবসাইটে লোড স্পিড কমাতে হবে। 

কম সময়ের মধ্যে ওয়েবসাইট লোড করাতে চাইলে আপনাকে ব্রাউজার ক্যাশিং ইউজ করতে হবে। ওয়েবসাইটে ইউজ করা ইমেজ, এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট ইত্যাদি কম্প্রেস করে নিতে হবে। এগুলোর পাশাপাশি আপনি সিডিএন ইউজ করে সাইট লোড স্পিড বৃদ্ধি করতে পারবেন। 

কাস্টমারকে বিভিন্ন অফারের মাধ্যমে অভাব ফিল করাতে হবে 

কোন কাস্টমার যখন আপনার ওয়েবসাইটে আসবে তখন তাকে এমন অফার দিতে হবে বা কোন প্রোডাক্ট এর অভাব বোধ করাতে হবে। এই ক্ষেত্রে আপনি নিউরো মার্কেটিং ব্যবস্তা ব্যবহার করতে পারেন। 

অর্থাৎ আপনার অনলাইন স্টোরে ভিজিটর আসলে তার সামনে কোন পণ্যকে এমনভাবে উপস্থাপন করতে হবে যেন সে উক্ত পণ্যের অভাব বোধ করে। এখানে অবশ্যই স্প্যামিং করা যাবে না। কৃত্রিম অভাব তৈরি করার মাধ্যমে সেল জেনারেট করতে হবে। 

ওয়েবসাইটের রেসপন্সিভনেস ঠিক রাখতে হবে

ওয়েবসাইট রেসপন্সিভ করা মানে বোঝায় এটি সকল ধরনের স্কিন সাইজের জন্য উপযুক্ত হবে। অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইট যেন মোবাইল থেকে অথবা ট্যাব থেকে দেখতে কোন অসুবিধা না হয়। বর্তমানে সকল ওয়েবসাইট ডেস্কটপ ও মোবাইলের জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়। এতে উভয় ডিভাইস ব্যবহারকারি কোন প্রকারের সমস্যা ছাড়া সাইট ভিজিট করতে পারে। 

ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য রেসপন্সিভ হওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এতে ডেক্সটপ বাদেও হিউজ পরিমানে মোবাইল ব্যবহারকারি আপনার স্টোর থেকে কেনাকাটা করতে পারবে। ওভারওল পারফর্মেন্সের জন্য ওয়েবসাইট রেসপন্সিভনেস অনেক গুরুত্বপূর্ণ। 

information

STAR WEB HOST IT is Your trusted partner in Website design development domain hosting App game software development cyber security digital marketing graphics design FAd GAd SEO SMM Panel Service all providers Our website is starwebhostit.com

 

information

Dhaka Mirpur Sector No. 12, And Dhaka Jatrabari, And Khulshi No 1 Chittagong, Bangladesh

Copyright © 2025 Star Web Host It. All Rights Reserved